দরকারী Tips & Tricks
Tuesday, August 23, 2016
twitter night mood
ইউজারদের সংখ্যা বাড়াতে নতুন আরেক পদক্ষেপ নিতে পারে টুইটার। শুধুমাত্র আইফোন ইউজারদের জন্য বিশেষ ‘নাইট মোড’ আনতে পারে এই সংস্থা।
lost android phone
প্রথমেই সালাম জানায় সকল বন্ধুদের, আসসালামু আলাইকুম।
আশা করি আপনারা আল্লাহর রহমতে ভালই আছেন আমিও খুব ভাল আছি আল্লাহর রহমতে।
তবে শুরু করি আমার আজকের টিউন। আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো Android এর একটা খুব দরকার এপ্স।
★ এটি দিয়ে আপনি আপনার হারানো ফোন খুজে পাবেন
★ চোর ধরতে পারবেন।
★ ১ মে এপ্সটি ডাউনলোড করে নিন এখান থেকে ডাউনলোড
★ Click Here To DownLoad Now
★ সাইজঃ মাত্র ৫.১১ এমবি
★ স্কিনসোর্টটি দেখে নিন
★ তারপর ইন্সটল করে ওপেন করুন।
★ সাইন আপ করুন।
★ ইমেইল ভেরিফাই করেন।
★ নাম্বার এড করেন।
★ পরে আবার ডাটা ক্লিয়ার করে নতুন করে লগিন করেন।
দেখবেন আপনার ফোনের সকল তথ্য দেখাচ্ছে।।
মডেল, imei নাম্বার, সিম নাম্বার। লোকেশন।
তার মানে বুঝতেই পারছেন। যদি কেউ সিম পুরে, তবে আপনি সহজেই নাম্বার পেয়ে যাবেন। আর যেভাবে পাবেন, ধরেন আপনার ফোন হারিয়ে গেল।
তখন ওই এপ্সটি অন্য ফোনে ইন্সটল দিয়ে, আপনার একাউন্টে লগিন করুন। তারপর আপনার ফোন ট্রাক/সার্চ ক্র্যন। অবশ্যই gps অন করে কাজ করবেন। তা না হলে লোকেশন ট্রাক করতে পারবে না। আর আপনি ইচ্ছা করলেই, আপনার ফোনে কল দিতে পারবেন, এস এমএস দিতে পারবেন, ডাটা /মেমোরি ফরম্যাট /ফোন ফরম্যাট দিতে পারবেন। অর্থাৎ ওই এপ্সেই সকল কাজ।
তাহলে বুঝতেই পারছেন। এপ্সটির কত টুকু ক্ষমতা। তাই এক্ষুণি ডাউনলোড করে নিন। প্রয়োজনীয় এই এপ্সটি।
আশা করি আপনারা আল্লাহর রহমতে ভালই আছেন আমিও খুব ভাল আছি আল্লাহর রহমতে।
তবে শুরু করি আমার আজকের টিউন। আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো Android এর একটা খুব দরকার এপ্স।
★ এটি দিয়ে আপনি আপনার হারানো ফোন খুজে পাবেন
★ চোর ধরতে পারবেন।
★ ১ মে এপ্সটি ডাউনলোড করে নিন এখান থেকে ডাউনলোড
★ Click Here To DownLoad Now
★ সাইজঃ মাত্র ৫.১১ এমবি
★ স্কিনসোর্টটি দেখে নিন
★ তারপর ইন্সটল করে ওপেন করুন।
★ সাইন আপ করুন।
★ ইমেইল ভেরিফাই করেন।
★ নাম্বার এড করেন।
★ পরে আবার ডাটা ক্লিয়ার করে নতুন করে লগিন করেন।
দেখবেন আপনার ফোনের সকল তথ্য দেখাচ্ছে।।
মডেল, imei নাম্বার, সিম নাম্বার। লোকেশন।
তার মানে বুঝতেই পারছেন। যদি কেউ সিম পুরে, তবে আপনি সহজেই নাম্বার পেয়ে যাবেন। আর যেভাবে পাবেন, ধরেন আপনার ফোন হারিয়ে গেল।
তখন ওই এপ্সটি অন্য ফোনে ইন্সটল দিয়ে, আপনার একাউন্টে লগিন করুন। তারপর আপনার ফোন ট্রাক/সার্চ ক্র্যন। অবশ্যই gps অন করে কাজ করবেন। তা না হলে লোকেশন ট্রাক করতে পারবে না। আর আপনি ইচ্ছা করলেই, আপনার ফোনে কল দিতে পারবেন, এস এমএস দিতে পারবেন, ডাটা /মেমোরি ফরম্যাট /ফোন ফরম্যাট দিতে পারবেন। অর্থাৎ ওই এপ্সেই সকল কাজ।
তাহলে বুঝতেই পারছেন। এপ্সটির কত টুকু ক্ষমতা। তাই এক্ষুণি ডাউনলোড করে নিন। প্রয়োজনীয় এই এপ্সটি।
Monday, August 8, 2016
স্মার্টফোন গরম হয়ে গেলে কী করবেন ?
স্মার্টফোনগুলোর কমন একটি
সমস্যা
হলো গরম হয়ে যাওয়া। নানা
প্রচেষ্টার
পরও কোন ভাবেই এই সমস্যার
সমাধান হয়না। আপনার স্মার্টফোনটি
গরম
হয়ে
যাওয়ার পিছনে একাধিক
কারণ
থাকতে পারে। তাহলে কীভাবে তা থেকে
ফোনটিকে
বাঁচাবেন? জেনে নিন
নিয়মগুলো :
১. ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার
সময় ফোনের
ব্যবহার একদম বন্ধ করে
দিন। কোনও
ধরনের ভিডিও বা গেম
খোলবেন না।
এভাবেই আপনার স্মার্টফোনটি গরম হওয়া থেকে আটকাতে পারেন।
২. ফোনে নেটওয়ার্ক ভালো না থাকলে সহজেই ফোনটি গরম হয়ে ওঠে। কারণ, আপনার ফোনটি প্রতি মুহূর্তে ভালে নেটওয়ার্কের খোঁজে থাকে।
তাই চেষ্টা করুন যাতে আপনি প্রতি সময় ভালো নেটওয়ার্ক এরিয়ার মধ্যে থাকতে পারেন। যদিও, কোনও ভাবে তা না করতে পারেন তাহলে ফোনটি গরম হয়ে উঠলে সেটিকে ফ্লাইট মুডে দিয়ে দিন।
অল্প সময়ের মধ্যেই তা ঠান্ডা হয়ে যাবে।
৩. আপনার স্মার্টফোনটি থেকে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো মুছে ফেলুন। এর ফলে ফোনে ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাকটিভিটি অনেকটাই কমে যাবে।
আর তাতেই ঠান্ডা থাকবে ফোনটি।
৪. সাময়িকভাবে ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ করলে ফোন ঠান্ডা হয়ে যাবে। ৫. অনেক্ষণ একটানা ব্যবহারের পর ফোন গরম হলে রিস্টার্ট দিন।
এভাবেই আপনার স্মার্টফোনটি গরম হওয়া থেকে আটকাতে পারেন।
২. ফোনে নেটওয়ার্ক ভালো না থাকলে সহজেই ফোনটি গরম হয়ে ওঠে। কারণ, আপনার ফোনটি প্রতি মুহূর্তে ভালে নেটওয়ার্কের খোঁজে থাকে।
তাই চেষ্টা করুন যাতে আপনি প্রতি সময় ভালো নেটওয়ার্ক এরিয়ার মধ্যে থাকতে পারেন। যদিও, কোনও ভাবে তা না করতে পারেন তাহলে ফোনটি গরম হয়ে উঠলে সেটিকে ফ্লাইট মুডে দিয়ে দিন।
অল্প সময়ের মধ্যেই তা ঠান্ডা হয়ে যাবে।
৩. আপনার স্মার্টফোনটি থেকে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলো মুছে ফেলুন। এর ফলে ফোনে ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাকটিভিটি অনেকটাই কমে যাবে।
আর তাতেই ঠান্ডা থাকবে ফোনটি।
৪. সাময়িকভাবে ইন্টারনেট কানেকশন বন্ধ করলে ফোন ঠান্ডা হয়ে যাবে। ৫. অনেক্ষণ একটানা ব্যবহারের পর ফোন গরম হলে রিস্টার্ট দিন।
এন্ড্রয়েডের প্যার্টান লক ভুলে গেছেন ??? খুলে ফেলুন খুব সহজে..
এন্ডয়েডের প্যাটার্ণ লক
ভূলে গেছেন বা আপনার
মোবাইলে দেওয়া পাসওয়ার্ড
আপনার মনে পড়ছে না?
প্যটার্ন লক বা পাসওয়ার্ড
ভুলে যাওয়ার কারণে ডিভাইসে এক্সেস করতে সমস্যা হচ্ছে? আজ ২টি সমাধান নিয়ে এসেছি আপনাদের জন্য..
.
সমাধান-১ : .
এ কাজের জন্যে অবশ্যই সেটের ইন্টারনেট কানেকশন এক্টিভেটেড থাকতে হবে। ৫বার ভুল ইনপুট করুণ। এরপর একটি অপশন আসবে, Forgot Pattern? এটা ওপেন করুণ। ওপেন করার পর আপনার গুগল একাউন্ট অর্থাৎ জি-মেইল আই.ডি এবং পাসওয়ার্ড চাইবে। ঠিকঠিক মতো ইনপুট করুণ। সফলভাবে জি- মেইল আই.ডিতে লগইন করাশেষে আপনাকে নতুন প্যটার্ণ লক দিতে বলা হবে। নতুন প্যটার্ণ একটিভ করুণ এবং এবারে অবশ্যই সহজে মনে থাকে এমন কোন প্যাটার্ণ ড্র করুণ। অনেক সময় এই প্রসেস সঠিক হওয়া সত্ত্ব আপনার মোবাইল লক অবস্থাতে থেকে যাচ্ছে..
তাই ২য় সমাধান আপনাদের জন্য শেষ এবং উপযুক্ত সমাধান হতে পারে.. .
সমাধান-২: .
ইন্টারনেট কাণেকশন প্রয়োজন নেই। এ সময়ে ডিভাইসটিকে ফ্যাক্টরী রিষ্টোর করা ছাড়া কোন উপায় থাকে না। এসময় আপনাকে ফ্যক্টরী রিষ্টোর করতে হয়। বলে রাখা ভালে যে আপনার পুরো মোবাইল ফরমেট নিয়ে নিবে। ইন্সটল করা সফটওয়্যারে, ফোন নাম্বার, মেসেজ কিছুই থাকবে না।
জেনে নিন কিভাবে সিষ্টেম হার্ড রিসেট করবেন .
1. প্রথমে নিশ্চিত হয়ে নিন যে, আপনার ডিভাইসে পর্যাপ্ত চার্জ মজুত আছে, যাতে প্রসেসটি চলাকালীন সেট বন্ধ হয়ে না যায়..
.
2. ডিভাইস বন্ধ করুণ এবং চালু করার সময় Volume up+power button অথবা Down+power button একসাথে প্রেস করে সেট অন করুণ।
.
এটা আপনাকে রিকোভারী মুডে নিয়ে যাবে.. রিকোভারী মুডে যাওয়ার জন্যে এটা ছাড়াও বিভিন্ন কোম্পানীর সেটে আরো কিছু কম্বিনেশন কাজ করতে পারে সেগুলো হলো: .
১. Volume Down + Volume Up + Power button.
২. Volume Down + Power button.
৩. Volume Up + Power button.
৪. Volume Up + Home + Power button.
৫. Volume Up + Camera button.
৬. Home + Camera button.
৭. Home + Power button.
.
আমি নিশ্চিত উপরের ৭টির যেকোন একটি কম্বিনেশন কাজ করবেই..
কম্বিনেশন দিয়ে ডিভাইস অন করার পর রিকোভারী মুড এ যাবেন..
“Wipe Data / Factory Reset” সিলেক্ট করুণ.. (এক্ষেত্রে ভলিউম আপ ডাউন কি দিয়ে সিলেকশনের কাজ করতে হবে..)এরপর নো এবং ‘ইয়েস’ এর মধ্য থেকে ‘ইয়েস’ সিলেক্ট করুণ
.সমাধান-১ : .
এ কাজের জন্যে অবশ্যই সেটের ইন্টারনেট কানেকশন এক্টিভেটেড থাকতে হবে। ৫বার ভুল ইনপুট করুণ। এরপর একটি অপশন আসবে, Forgot Pattern? এটা ওপেন করুণ। ওপেন করার পর আপনার গুগল একাউন্ট অর্থাৎ জি-মেইল আই.ডি এবং পাসওয়ার্ড চাইবে। ঠিকঠিক মতো ইনপুট করুণ। সফলভাবে জি- মেইল আই.ডিতে লগইন করাশেষে আপনাকে নতুন প্যটার্ণ লক দিতে বলা হবে। নতুন প্যটার্ণ একটিভ করুণ এবং এবারে অবশ্যই সহজে মনে থাকে এমন কোন প্যাটার্ণ ড্র করুণ। অনেক সময় এই প্রসেস সঠিক হওয়া সত্ত্ব আপনার মোবাইল লক অবস্থাতে থেকে যাচ্ছে..
তাই ২য় সমাধান আপনাদের জন্য শেষ এবং উপযুক্ত সমাধান হতে পারে.. .
সমাধান-২: .
ইন্টারনেট কাণেকশন প্রয়োজন নেই। এ সময়ে ডিভাইসটিকে ফ্যাক্টরী রিষ্টোর করা ছাড়া কোন উপায় থাকে না। এসময় আপনাকে ফ্যক্টরী রিষ্টোর করতে হয়। বলে রাখা ভালে যে আপনার পুরো মোবাইল ফরমেট নিয়ে নিবে। ইন্সটল করা সফটওয়্যারে, ফোন নাম্বার, মেসেজ কিছুই থাকবে না।
জেনে নিন কিভাবে সিষ্টেম হার্ড রিসেট করবেন .
1. প্রথমে নিশ্চিত হয়ে নিন যে, আপনার ডিভাইসে পর্যাপ্ত চার্জ মজুত আছে, যাতে প্রসেসটি চলাকালীন সেট বন্ধ হয়ে না যায়..
.
2. ডিভাইস বন্ধ করুণ এবং চালু করার সময় Volume up+power button অথবা Down+power button একসাথে প্রেস করে সেট অন করুণ।
.
এটা আপনাকে রিকোভারী মুডে নিয়ে যাবে.. রিকোভারী মুডে যাওয়ার জন্যে এটা ছাড়াও বিভিন্ন কোম্পানীর সেটে আরো কিছু কম্বিনেশন কাজ করতে পারে সেগুলো হলো: .
১. Volume Down + Volume Up + Power button.
২. Volume Down + Power button.
৩. Volume Up + Power button.
৪. Volume Up + Home + Power button.
৫. Volume Up + Camera button.
৬. Home + Camera button.
৭. Home + Power button.
.
আমি নিশ্চিত উপরের ৭টির যেকোন একটি কম্বিনেশন কাজ করবেই..
কম্বিনেশন দিয়ে ডিভাইস অন করার পর রিকোভারী মুড এ যাবেন..“Wipe Data / Factory Reset” সিলেক্ট করুণ.. (এক্ষেত্রে ভলিউম আপ ডাউন কি দিয়ে সিলেকশনের কাজ করতে হবে..)এরপর নো এবং ‘ইয়েস’ এর মধ্য থেকে ‘ইয়েস’ সিলেক্ট করুণ
এবার জিপি গ্রাহক রা নিয়ে নিন ৩ তিন টি ওয়েলকাম টিউন একদম ফ্রিতে
এবার জিপি গ্রাহক রা নিয়ে নিন ৩ তিন টি ওয়েলকাম টিউন একদম ফ্রিতে……
এর জন্য আপনাকে যা করতে হবে।
প্রথমে ডায়াল করবেন *4000*23# তার পর 1 প্রেস করে সেন্ড বাটন এ ক্লিক করবেন।
হয়ে গেলো এক মাস মেয়াদে তিন টি ওয়েলকাম একদমি ফ্রি।
বিঃ দ্রঃ এটা সব জিপি সিমের জন্যইই প্রজজ্য।।
সো, হয়ে জান বেস্ত।।।।।
প্রথমে ডায়াল করবেন *4000*23# তার পর 1 প্রেস করে সেন্ড বাটন এ ক্লিক করবেন।
হয়ে গেলো এক মাস মেয়াদে তিন টি ওয়েলকাম একদমি ফ্রি।
বিঃ দ্রঃ এটা সব জিপি সিমের জন্যইই প্রজজ্য।।
সো, হয়ে জান বেস্ত।।।।।
উইন্ডোজের কিছু টুকটাক সমাধান
কম্পিউটারের সাধারণ কিছু কাজ অনেক সময় বেশ
উপকারে আসে। এমন কিছু সাধারণ কৌশল দেওয়া
হলো, যা প্রয়োগ করলে কম্পিউটারের খুঁটিনাটি
সমস্যা দূর করা যায়।
কম্পিউটার চালু না হলে কখনো কম্পিউটার চালু না হলে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সেফ মুড থেকে চালু (বুট) করা যায়। এ জন্য কম্পিউটার চালু করার বোতাম চেপে F8 চাপুন। তালিকা থেকে Last Known Good Configuration নির্বাচন করে আগে ভালো থাকা উইন্ডোজকে ফিরিয়ে আনা যাবে।
কম্পিউটারে বুট সমস্যা হলে Windows Startup Repair চেপে তা ঠিক করা যায়। এটি স্টার্ট-আপ (চালু হওয়া) সমস্যা দূর করে কম্পিউটারকে আবার চালু করবে।
সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্ট কম্পিউটার চালাতে গিয়ে অনেক ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে, ভালো থাকা অবস্থায় সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্ট তৈরি করে রাখলে প্রয়োজনে তা কাজে লাগানো যাবে। এ জন্য Start Menu থেকে Accessories-এ যান। System Tools থেকে System Restore-এ ক্লিক করে খুলুন। আবার উইন্ডোজ সাত
বা আটের স্টার্ট মেনুতে rstrui.exe লিখে এন্টার করতে পারেন। সিস্টেম রিস্টোর খুলে গেলে Next চেপে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। পরের ধাপে Finish চাপলে নতুন সিস্টেম পয়েন্ট তৈরি হবে। ভবিষ্যতে উইন্ডোজের যেকোনো সমস্যায় তৈরি থাকা সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্ট থেকে উইন্ডোজকে ফিরিয়ে আনা যাবে।
সিস্টেম ফাইল চেকার কম্পিউটারের সিস্টেমে কোনো সমস্যা তৈরি হলে সিস্টেম ফাইল চেকার ব্যবহার করে সমস্যার সমাধান করা যায়। সাধারণত কম্পিউটারের কোনো ফাইল প্রতিস্থাপিত (রিপ্লেস) হলে বা ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা নষ্ট হলে ভালো ফাইল দিয়ে সিস্টেম ফাইল চেকার সেটি দূর করে।
এ জন্য স্টার্ট মেনুতে গিয়ে cmd লিখুন। Command Prompt এলে তাতে ডান ক্লিক করে Run as administrator চেপে খুলুন। এবার কমান্ড প্রম্পটে sfc/scannow লিখে এন্টার করুন। কিছুক্ষণ সময় নিয়ে রিপোর্টের মাধ্যমে কম্পিউটারে কোনো সমস্যা বা ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা নষ্ট ফাইল থাকলে ঠিক করে তা জানিয়ে দেবে।
অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার মুছুন কম্পিউটারের কন্ট্রোল প্যানেল চালু করে ইনস্টল থাকা প্রোগ্রামগুলো চেক করে নিন। যদি অনাকাঙ্ক্ষিত বা অব্যবহৃত সফটওয়্যার থাকে তাহলে সেটি মুছে ফেলাই উত্তম।
কম্পিউটার চালু না হলে কখনো কম্পিউটার চালু না হলে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের সেফ মুড থেকে চালু (বুট) করা যায়। এ জন্য কম্পিউটার চালু করার বোতাম চেপে F8 চাপুন। তালিকা থেকে Last Known Good Configuration নির্বাচন করে আগে ভালো থাকা উইন্ডোজকে ফিরিয়ে আনা যাবে।
কম্পিউটারে বুট সমস্যা হলে Windows Startup Repair চেপে তা ঠিক করা যায়। এটি স্টার্ট-আপ (চালু হওয়া) সমস্যা দূর করে কম্পিউটারকে আবার চালু করবে।
সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্ট কম্পিউটার চালাতে গিয়ে অনেক ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে, ভালো থাকা অবস্থায় সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্ট তৈরি করে রাখলে প্রয়োজনে তা কাজে লাগানো যাবে। এ জন্য Start Menu থেকে Accessories-এ যান। System Tools থেকে System Restore-এ ক্লিক করে খুলুন। আবার উইন্ডোজ সাত
বা আটের স্টার্ট মেনুতে rstrui.exe লিখে এন্টার করতে পারেন। সিস্টেম রিস্টোর খুলে গেলে Next চেপে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। পরের ধাপে Finish চাপলে নতুন সিস্টেম পয়েন্ট তৈরি হবে। ভবিষ্যতে উইন্ডোজের যেকোনো সমস্যায় তৈরি থাকা সিস্টেম রিস্টোর পয়েন্ট থেকে উইন্ডোজকে ফিরিয়ে আনা যাবে।
সিস্টেম ফাইল চেকার কম্পিউটারের সিস্টেমে কোনো সমস্যা তৈরি হলে সিস্টেম ফাইল চেকার ব্যবহার করে সমস্যার সমাধান করা যায়। সাধারণত কম্পিউটারের কোনো ফাইল প্রতিস্থাপিত (রিপ্লেস) হলে বা ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা নষ্ট হলে ভালো ফাইল দিয়ে সিস্টেম ফাইল চেকার সেটি দূর করে।
এ জন্য স্টার্ট মেনুতে গিয়ে cmd লিখুন। Command Prompt এলে তাতে ডান ক্লিক করে Run as administrator চেপে খুলুন। এবার কমান্ড প্রম্পটে sfc/scannow লিখে এন্টার করুন। কিছুক্ষণ সময় নিয়ে রিপোর্টের মাধ্যমে কম্পিউটারে কোনো সমস্যা বা ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা নষ্ট ফাইল থাকলে ঠিক করে তা জানিয়ে দেবে।
অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার মুছুন কম্পিউটারের কন্ট্রোল প্যানেল চালু করে ইনস্টল থাকা প্রোগ্রামগুলো চেক করে নিন। যদি অনাকাঙ্ক্ষিত বা অব্যবহৃত সফটওয়্যার থাকে তাহলে সেটি মুছে ফেলাই উত্তম।
এনড্রয়েড এর বেটারি লাইফ বারয়ে নিন ১৬টি কাজ করে
স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ব্যাটারি। আপনার
স্মার্টফোন টি অ্যান্ড্রয়েড, উইন্ডোজ অথবা আইফোন যাই হোক না কেন সব
ক্ষেত্রেই ব্যাটারি লাইফ এর গুরুত্ব সমান। সাধারণত হাই ইন্ড ডিভাইস গুলোতে
একদিনের বেশি চার্জ থাকে না। তো চলুন আমরা দেখি কিভাবে আপনি আপনার ডিভাইসের
ব্যাটারি লাইফ বাড়াতে পারেন…
১) আপনার ডিভাইসে যদি OLED, AMOLED অথবা Super AMOLED ডিসপ্লে থাকে সেক্ষেত্রে ব্রাইট ওয়ালপেপার এবং থিম কমপক্ষে আপনার ডিভাইসের ২০% চার্জ খুব দ্রুত শেষ করে দিবে। তাই ডিভাইস হোমস্ক্রীনে একটু ডার্ক ব্যাক গ্রাউন্ড ব্যবহার করাই ভাল। এতে ব্যাটারি সেভ হবে।
২) Amoled ডিসপ্লে সমৃদ্ধ ডিভাইস গুলোতে ডার্ক হোম স্ক্রীনের পাশাপাশি আপনি অ্যাপ ড্রয়ারে ডার্ক ওয়ালপেপার এবং বিভিন্ন লঞ্চার এর ক্ষেত্রে একটু ডার্ক থিম গুলো ব্যবহার করে দেখুন, অবশ্যই আপনার ব্যাটারি সেভ হবে।
৩) এবার আসি অটো ব্রাইটনেস এর কথায়। অনেকের মাঝে ভুল ধারণা রয়েছে যে অটো ব্রাইটনেস ব্যবহার করলে চার্জ বেশি থাকে। কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। কারণ আপনি যখন আপনার ডিভাইসে অটো বাইটনেস দিয়ে রাখেন তখন প্রয়োজনের তুলানআয় ডিসপ্লে অনেক ব্রাইট থাকে যার কারণে অধিক চার্জ খরচ হয়। এক্ষেত্রে অটো ব্রাইটনেস এর পরিবর্তে আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী লো ব্রাইটনেস সেট করে নিন।
৪) অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের আরেকটি ফিচার যা আপনার ব্যাটারির চার্জ কমিয়ে দেয় তা হল ভাইব্রেসন। যখন কল আসে এবং হাপটিক ফিডব্যাক এর কারণে ফোন ভাইব্রেট করে । এছাড়া অনেকেই কী বোর্ডে ভাইব্রেসন অন করে রাখে, ফলে টাইপ করার সময় বার বার ডিভাইস ভাইব্রেট হয়। আর এই ভাইব্রেসনের জন্য যে চার্জের প্রয়োজন হয় তা আপনার ব্যাটারি থেকেই আসে। তাই ভাইব্রেসন অফ করে রাখলে ব্যাটারির চার্জ অনেকটাই সেভ হবে। Settings > Sound এ যেয়ে vibrate when ringing এবং Vibrate on touch অপশন দুইটি অফ করে দিন।
৫) আপনি যদি আপনার ডিভাইস থেকে ভাল ব্যাটারি ব্যাকআপ আশা করেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই সবসময় অরিজিনাল ব্যাটারি ব্যবহার করতে হবে। যদি কোন কারণে আপনার অরিজিনাল ব্যাটারি নষ্ট হয়ে যায় তবে নতুন ব্যাটারি কেনার ক্ষেত্রে অবশ্যই ভাল ব্যাটারি বেছে নিতে হবে। টাকা একটু বেশি খরচ হলেও আপনার ডিভাইস ভাল থাকবে।
৬) ডিসপ্লে টাইমআউট অপশনের সাথে আমরা সবাই পরিচিত। ডিসপ্লে টাইমআউট কাজ হল একবার আপনি আপনার ডিভাইস স্ক্রীন অন করার পর কত সময় পর এটি অফ হবে তা নিয়ন্ত্রন করা। আমরা সবাই জানি সাধারণত অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস গুলোতে সবচেয়ে বেশি চার্জ খরচ করে থাকে ডিসপ্লে। কারণ এক পরিসংখ্যানে দেখা যায় একজন ইউজার দিনে প্রায় ১৫০ এর অধিকবার স্ক্রীন অন করে থাকেন। তাই যত বেশি সময় আপনার ডিভাইস স্ক্রীন অন থাকবে তত চার্জ যাবে। তো এক্ষেত্রে আপনি ডিসপ্লে টাইমআউট কমিয়ে রাখলে যথেষ্ট পরিমাণে ব্যাটারি সেভ হবে। সাধারণত ডিসপ্লে টাইমআউট ১৫ সেকেন্ড সেট করাই ভাল।
৭) অনেক ডিভাইসে ”sleep times” এবং স্যামসাঙ ডিভাইস গুলোতে ”blocking mode” নামে একটি অপশন রয়েছে। এই অপশন গুলোর মাধ্যমে আপনি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আপনার ডিভাইসের ডাটা কানেকশন, ওয়াইফাই, ফোন ভাইব্রেশন ইত্যাদি অফফ করে রাখতে পারবেন। তাই ব্যাটারি সেভ করার জন্য আপনি এই অপশনটি কাজে লাগাতে পারেন।
৮) স্যামসাঙ ডিভাইস গুলোতে কিছু স্মার্ট ফিচার যেমন air gestures, smart scrolling ইত্যাদি দেয়া থাকে। এই ফিচার ব্যাপক হারে আপনার ডিভাইসের চার্জ খরচ করে। তাই যখন এই ফিচার গুলো আপনার প্রয়োজন হয় না, তখন স্মার্ট ফিচার গুলো অফ করে রাখাই ভাল।
৯) অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ফাইল আদান প্রদান করার জন্য আমরা সাধারণত Bluetooth, NFC এবং ইন্টারনেটের জন্য আমরা ডাটা কানেকশন এবং ওয়াইফাই ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু প্রয়োজন শেষে GPS, Bluetooth, NFC, Wi-Fi অবশ্যই টার্ন অফ করে দিন। এছাড়া প্রয়োজন শেষে লোকেশন ডাটাও অফ করে রাখুন।
১০) লকস্ক্রীনে ডিভাইসে দেয়া ডিফল্ট উইজেট গুলো ব্যবহার করাই ভাল। কারণ এতে উইজেট এর জন্য কোন আলাদা অ্যাপ ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়বে না, যা প্রতিনিয়ত আপনার ডাটা কানেকশন ব্যবহার করে রিফ্রেশ হবে এবং চার্জ খরচ করবে।
১১) অনেক সময় আমরা হোমস্ক্রীনে কাস্টমাইজেশন করার জন্য এবং অন্যান্য প্রয়জনে বিভিন্ন উইজেট ব্যবহার করে থাকি। ব্যাটারি সেভ করার জন্য অপ্রয়োজনীয় উইজেট গুলো হোমস্ক্রীন থেকে রিমুভ করে দিতে পারেন।
১২) আমরা অনেক সময় ডিভাইস ইন্সটল করা অ্যাপ গুলো আপডেট করার তেমন প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি না। কারণ অনেকেই মনে করেন অ্যাপ আপডেট করা মানেই অপ্রয়োজনীয় ডাটা খরচ। ভাবাটাই স্বাভাবিক, কারণ আমদের দেশে ইন্টারনেট ডাটা প্ল্যান গুলোতে ডাটার পরিমানের সাথে দামের কোন মিল নেই। যাই হোক ডাটা খরচ হলেও আপনার ডিভাইসের অ্যাপ গুলো আপডেট দিন। কারণ ডেভেলপাররা অ্যাপ গুলো যাতে কোন সমস্যা ছাড়াই আপনার ডিভাইসে চলে এবং কম চার্জ খরচ করে সে জন্যই আপডেট করে থাকেন।
১৩) বর্তমানে বাজারে থাকা অধিকাংশ ডিভাইসে power saving mode অথবা অন্যান্য ব্যাটারি ম্যানেজমেন্ট অপশন দেয়া থাকে। বিশেষ করে আমাদের দেশের সিম্ফনি এবং ওয়াল্টন ইউজাররা একটু লক্ষ্য করলেই আপনার ডিভাইসে অপশন গুলো খুজে পাবেন। ব্যাটারি সেভ করার ক্ষেত্রে এই অপশন গুলো আপনাকে অনেকটাই সাহায্য করতে পারে।
১৪) বিভিন্ন কাস্টম রমে সিপিইউ ওভার ক্লক বা আন্ডার ক্লক করার অপশন থাকে। সিপিইউ আন্ডার ক্লক করে আপনি আপনার ডিভাইসের ব্যাটারি খরচ কমাতে পারেন।
১৫) আপনার ডিভাইসে যদি auto-sync অন করা থাকে তাহলে তা অফ করে দিন। কারণ auto-sync অন থাকলে প্রতি ১৫ মিনিট পর আপনার ডিভাইসের গুগল অ্যাকাউন্ট রিফ্রেশ হয়। তাই ডিভাইসের Settings>Google account এ যেয়ে auto-sync অফ করে দিন।
১৬) সর্বশেষ টিপস হল আপনার ডিভাইসে থাকা গুগল প্লে স্টোর এর অটো আপডেট বন্ধ কর দিন। প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যাপ গুলো ম্যানুয়ালি আপডেট করে নিন
১) আপনার ডিভাইসে যদি OLED, AMOLED অথবা Super AMOLED ডিসপ্লে থাকে সেক্ষেত্রে ব্রাইট ওয়ালপেপার এবং থিম কমপক্ষে আপনার ডিভাইসের ২০% চার্জ খুব দ্রুত শেষ করে দিবে। তাই ডিভাইস হোমস্ক্রীনে একটু ডার্ক ব্যাক গ্রাউন্ড ব্যবহার করাই ভাল। এতে ব্যাটারি সেভ হবে।
২) Amoled ডিসপ্লে সমৃদ্ধ ডিভাইস গুলোতে ডার্ক হোম স্ক্রীনের পাশাপাশি আপনি অ্যাপ ড্রয়ারে ডার্ক ওয়ালপেপার এবং বিভিন্ন লঞ্চার এর ক্ষেত্রে একটু ডার্ক থিম গুলো ব্যবহার করে দেখুন, অবশ্যই আপনার ব্যাটারি সেভ হবে।
৩) এবার আসি অটো ব্রাইটনেস এর কথায়। অনেকের মাঝে ভুল ধারণা রয়েছে যে অটো ব্রাইটনেস ব্যবহার করলে চার্জ বেশি থাকে। কিন্তু এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। কারণ আপনি যখন আপনার ডিভাইসে অটো বাইটনেস দিয়ে রাখেন তখন প্রয়োজনের তুলানআয় ডিসপ্লে অনেক ব্রাইট থাকে যার কারণে অধিক চার্জ খরচ হয়। এক্ষেত্রে অটো ব্রাইটনেস এর পরিবর্তে আপনি আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী লো ব্রাইটনেস সেট করে নিন।
৪) অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের আরেকটি ফিচার যা আপনার ব্যাটারির চার্জ কমিয়ে দেয় তা হল ভাইব্রেসন। যখন কল আসে এবং হাপটিক ফিডব্যাক এর কারণে ফোন ভাইব্রেট করে । এছাড়া অনেকেই কী বোর্ডে ভাইব্রেসন অন করে রাখে, ফলে টাইপ করার সময় বার বার ডিভাইস ভাইব্রেট হয়। আর এই ভাইব্রেসনের জন্য যে চার্জের প্রয়োজন হয় তা আপনার ব্যাটারি থেকেই আসে। তাই ভাইব্রেসন অফ করে রাখলে ব্যাটারির চার্জ অনেকটাই সেভ হবে। Settings > Sound এ যেয়ে vibrate when ringing এবং Vibrate on touch অপশন দুইটি অফ করে দিন।
৫) আপনি যদি আপনার ডিভাইস থেকে ভাল ব্যাটারি ব্যাকআপ আশা করেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই সবসময় অরিজিনাল ব্যাটারি ব্যবহার করতে হবে। যদি কোন কারণে আপনার অরিজিনাল ব্যাটারি নষ্ট হয়ে যায় তবে নতুন ব্যাটারি কেনার ক্ষেত্রে অবশ্যই ভাল ব্যাটারি বেছে নিতে হবে। টাকা একটু বেশি খরচ হলেও আপনার ডিভাইস ভাল থাকবে।
৬) ডিসপ্লে টাইমআউট অপশনের সাথে আমরা সবাই পরিচিত। ডিসপ্লে টাইমআউট কাজ হল একবার আপনি আপনার ডিভাইস স্ক্রীন অন করার পর কত সময় পর এটি অফ হবে তা নিয়ন্ত্রন করা। আমরা সবাই জানি সাধারণত অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস গুলোতে সবচেয়ে বেশি চার্জ খরচ করে থাকে ডিসপ্লে। কারণ এক পরিসংখ্যানে দেখা যায় একজন ইউজার দিনে প্রায় ১৫০ এর অধিকবার স্ক্রীন অন করে থাকেন। তাই যত বেশি সময় আপনার ডিভাইস স্ক্রীন অন থাকবে তত চার্জ যাবে। তো এক্ষেত্রে আপনি ডিসপ্লে টাইমআউট কমিয়ে রাখলে যথেষ্ট পরিমাণে ব্যাটারি সেভ হবে। সাধারণত ডিসপ্লে টাইমআউট ১৫ সেকেন্ড সেট করাই ভাল।
৭) অনেক ডিভাইসে ”sleep times” এবং স্যামসাঙ ডিভাইস গুলোতে ”blocking mode” নামে একটি অপশন রয়েছে। এই অপশন গুলোর মাধ্যমে আপনি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আপনার ডিভাইসের ডাটা কানেকশন, ওয়াইফাই, ফোন ভাইব্রেশন ইত্যাদি অফফ করে রাখতে পারবেন। তাই ব্যাটারি সেভ করার জন্য আপনি এই অপশনটি কাজে লাগাতে পারেন।
৮) স্যামসাঙ ডিভাইস গুলোতে কিছু স্মার্ট ফিচার যেমন air gestures, smart scrolling ইত্যাদি দেয়া থাকে। এই ফিচার ব্যাপক হারে আপনার ডিভাইসের চার্জ খরচ করে। তাই যখন এই ফিচার গুলো আপনার প্রয়োজন হয় না, তখন স্মার্ট ফিচার গুলো অফ করে রাখাই ভাল।
৯) অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে ফাইল আদান প্রদান করার জন্য আমরা সাধারণত Bluetooth, NFC এবং ইন্টারনেটের জন্য আমরা ডাটা কানেকশন এবং ওয়াইফাই ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু প্রয়োজন শেষে GPS, Bluetooth, NFC, Wi-Fi অবশ্যই টার্ন অফ করে দিন। এছাড়া প্রয়োজন শেষে লোকেশন ডাটাও অফ করে রাখুন।
১০) লকস্ক্রীনে ডিভাইসে দেয়া ডিফল্ট উইজেট গুলো ব্যবহার করাই ভাল। কারণ এতে উইজেট এর জন্য কোন আলাদা অ্যাপ ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়বে না, যা প্রতিনিয়ত আপনার ডাটা কানেকশন ব্যবহার করে রিফ্রেশ হবে এবং চার্জ খরচ করবে।
১১) অনেক সময় আমরা হোমস্ক্রীনে কাস্টমাইজেশন করার জন্য এবং অন্যান্য প্রয়জনে বিভিন্ন উইজেট ব্যবহার করে থাকি। ব্যাটারি সেভ করার জন্য অপ্রয়োজনীয় উইজেট গুলো হোমস্ক্রীন থেকে রিমুভ করে দিতে পারেন।
১২) আমরা অনেক সময় ডিভাইস ইন্সটল করা অ্যাপ গুলো আপডেট করার তেমন প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি না। কারণ অনেকেই মনে করেন অ্যাপ আপডেট করা মানেই অপ্রয়োজনীয় ডাটা খরচ। ভাবাটাই স্বাভাবিক, কারণ আমদের দেশে ইন্টারনেট ডাটা প্ল্যান গুলোতে ডাটার পরিমানের সাথে দামের কোন মিল নেই। যাই হোক ডাটা খরচ হলেও আপনার ডিভাইসের অ্যাপ গুলো আপডেট দিন। কারণ ডেভেলপাররা অ্যাপ গুলো যাতে কোন সমস্যা ছাড়াই আপনার ডিভাইসে চলে এবং কম চার্জ খরচ করে সে জন্যই আপডেট করে থাকেন।
১৩) বর্তমানে বাজারে থাকা অধিকাংশ ডিভাইসে power saving mode অথবা অন্যান্য ব্যাটারি ম্যানেজমেন্ট অপশন দেয়া থাকে। বিশেষ করে আমাদের দেশের সিম্ফনি এবং ওয়াল্টন ইউজাররা একটু লক্ষ্য করলেই আপনার ডিভাইসে অপশন গুলো খুজে পাবেন। ব্যাটারি সেভ করার ক্ষেত্রে এই অপশন গুলো আপনাকে অনেকটাই সাহায্য করতে পারে।
১৪) বিভিন্ন কাস্টম রমে সিপিইউ ওভার ক্লক বা আন্ডার ক্লক করার অপশন থাকে। সিপিইউ আন্ডার ক্লক করে আপনি আপনার ডিভাইসের ব্যাটারি খরচ কমাতে পারেন।
১৫) আপনার ডিভাইসে যদি auto-sync অন করা থাকে তাহলে তা অফ করে দিন। কারণ auto-sync অন থাকলে প্রতি ১৫ মিনিট পর আপনার ডিভাইসের গুগল অ্যাকাউন্ট রিফ্রেশ হয়। তাই ডিভাইসের Settings>Google account এ যেয়ে auto-sync অফ করে দিন।
১৬) সর্বশেষ টিপস হল আপনার ডিভাইসে থাকা গুগল প্লে স্টোর এর অটো আপডেট বন্ধ কর দিন। প্রয়োজন অনুযায়ী অ্যাপ গুলো ম্যানুয়ালি আপডেট করে নিন
Subscribe to:
Posts (Atom)